ঘাড় ও কোমর ব্যথার করনীয় কি

————-ডাঃ ওমর ফারুক শাহীন————–

কোন না কনো বয়সে ঘাড়, পিঠ বা কোমরের ব্যথায় ভোগেননি এমন মানুষের সংখ্যা একেবারেই নগন্য।বিভিন্ন বয়সী অসংখ্য মানুষ মেরুদন্ডের এসব অংশের ব্যথায় কষ্ট পাছেন। কোন রকম আঘাত পাওয়া ছাড়াই এসব অংগে ব্যথা দেখা দিতে পারে। প্রাথমিক ভাবে মেরুদন্ডের ব্যথার সঠিক কারন নিনয় করা সবচেয়ে জরুরি। তানা হলে একদিকে যেমন রোগীরর কষ্ট বাড়তে থাকবে।এইভাবে তার ব্যয় ও বেড়ে জাবে। সুতরাং সঠিক সময় সঠিক ভাবে প্রতিরোধ উওম। ব্যথা লক্ষনঃ
মেরুদন্ডের সমস্যা ঘাড়ে যে সব লক্ষন দেখা দেয় সে গুলোঃ
দাড়ানো বা বসা অবস্হায় ঘাড়ে ব্যথা অনুভূত হওয়া, ঘাড় থেকে উৎপন্ন ব্যথা হাতে ছড়িয়ে পড়া, প্রাথমিক পর্যায়ে কাধে ও হাতে ব্যথা হাতের বিভিন্ন অংশে ঝিন ঝিন শিন শিন করা, হাতের বোধশকতি কমে আসা, পর্যায়ক্রমেই হাতের অসারতা, ধীরে ধীরে হতে দুবল হয়ে হাতের কাযখমতা লোপ পাওয়া। এমনকি কোন খেএে পুনগত বরন করা।
চিকিৎসাঃ
মেরুদন্ডের দীঘ মেয়াদি ব্যথায় রোগী সাধারনত ব্যথা নাশক ঔষুধ খেয়ে উপশমের চেষ্টাকরে। কিন্তুু এ ধরনের ওষুধ নিয়মিত ও দীর্ঘ দিন খেলে কিডনিতে বড় ধরনের সমস্যা দেখাদিতে পারে ।এমনকি কিডনি বিকলও হয়ে যেতে পারে। তাই ঘাড় পিঠ ও কোমর ব্যথায় অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষ চিকিৎসকের শরনাপন্ন হওয়া উচিত। ব্যথা বাড়তে থাকলে অপারশনের মাধ্যমে ব্যথা নিবারনের ব্যবস্থা করা হয়।তবে আধুনিক চিকিৎসায় প্রচলিত অপারেশন বা কাটাছেড়া ও রক্তপাত ছাড়াই লেজার চিকিৎসার মাধ্যমে মেরুদন্ডের যে কোন ব্যথা নিরাময়ের ব্যবস্হা করা যায়।তাছাড়া ফিজিওথেরাপীর মধ্যমে ব্যথা নিরমূল করা যায়।এবং কিছু ব্যয়ামের মাধ্যমে ও অনেক ব্যথা সমস্যা সমাধান করা যায়।
যা একে বারে করা যাবে নাঃ
১/ নিচু হয়ে ভারী কোন বস্ত তুলবেন না।
২/ দাঁড়ানো অবস্হায় ঝুকে কাজ করবেন না।
৩/ একই অবস্হায় অনেকখন দাড়িয়ে বা বসে থাকবেন না।
৪/ দাঁড়ানো অবস্হায় কখনই সস্পূন নিচের দিকে ঝুকবেন না।
৫/ মাটি বা পিড়িতে বসবেন না।
যা করবেনঃ
১/কোন কিছু তুলতে গেলে হাটু ভাজ করে বসে তুলতে হবে।
২/ বসা অবস্থায় কোমরের পিছনে বালিশ বা নরম বস্ত দিয়ে নিন।
৩/ কমস্থলে সঠিক ও আরামদায়ক উচ্চতায় টেবিল ব্যবহার করুণ।
৪/ তুলনামুলক শক্ত বিছানায় ঘুমাবেন।
৫/ চিৎ হয়ে ঘুমানোর সময় হাটুর নিচে নরম বালিশ দিবেন এবং পাশ ফিরে ঘুমানোর সময় হাটু ভাজ করে দুই হাটুর মাঝে একটি নরম বালিশ দিয়ে ঘুমাবেন।
৬/ সম্ভব হলে উচু কমোড বা শৌচালয় ব্যবহার করুণ।
৭/ মোটা বা অতিরিক্ত ওজনের রোগীদের অবশ্যই ওজন কমাতে হবে।
৮/ হাটু ব্যথা কমাতে সাতার সবোৎকৃষ্ট ব্যায়াম।
৯/ ঘুম থেকে উঠার সময় আস্তে আস্তে এক কাত হয়ে উঠবেন।

জনপ্রিয় খবর

সর্বশেষ খবর

দিনপঞ্জিকা

September 2021
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  

আর্কাইভস